ব্রেকিং নিউজ

আতঙ্ক নয় সচেতনতার মাধ্যমেই সম্ভব প্রতিরোধ। করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত কোন জিজ্ঞাসা থাকলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের “স্বাস্থ্য বাতায়ন” এ গ্রামীণফোন গ্রাহকরা ফ্রি কল করুন ১৬২৬৩ নম্বরে। -করোনা ভাইরাসের আপডেট জানতে এখানে ক্লিক করুন-

সুজানগরে লতিরাজ চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের


মোঃ ফিরোজ রানাঃ সুজানগর উপজেলার কৃষকদের আগ্রহ বেড়েছে লতিরাজ চাষে। পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ সবজি কচু। যত্রতত্র বেড়ে ওঠায় আমাদের দেশে এর কদর তেমন একটা না থাকলেও এ সবজিটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন এ, বি ও সি, লৌহ, ক্যালসিয়ামসহ অন্যান্য পুষ্টি উপাদান। যা মানব দেহ গঠনে বেশ উপকারি। 

বর্তমানে নানা জাতের কচুর বাণিজ্যিক আবাদ শুরু হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মুখীকচু, পানিকচু, পঞ্চমুখী কচু, ওলকচু, দুধকচু, মানকচু  প্রভৃতি। আর পানি কচুর একটি জাত হলো লতিরাজ। 

সুজানগর উপজেলার খলিলপুর গ্রামের কৃষক আব্দুল লতিফ বলেন লতির প্রাধান্য থাকার কারণেই হয়তো এটিকে লতিরাজ কচু বলা হয়ে থাকে। সুজানগর উপজেলায় অতীতে তেমন দেখা না গেলেও বর্তমানে উপজেলায় লতিরাজ কচুর আবাদে কৃষকদের আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। দিন দিন এলাকার কৃষকেরা বাণিজ্যিকভাবে লতিরাজ চাষে ঝুঁকে পড়েছেন। 

সুজানগর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানাযায় বছরের যে কোন সময়ই এ কচুর চারা  রোপণ করা যায়। আর  যে জমিতে সহজেই বৃষ্টির পানি ধরে রাখা যায় এবং অতিবৃষ্টিতে পানি বের করে দেয়া যায় এমন জমি লতিরাজ চাষে উপযোগি। অনেক দিনের জলাবদ্ধতা লতিরাজের জন্য ক্ষতিকর। চারা রোপনের ২ মাস পর থেকে ৬ মাস পর্যন্ত  সপ্তাহে ১/২ বার লতি সংগ্রহ করা যায়। এছাড়াও এটির মুল কান্ড উৎকৃষ্টমানের কচু হিসেবে খাওয়া যায়।

সুজানগর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সুজানগর থেকে প্রকাশিত একমাত্র সাপ্তাহিক পত্রিকা পল্লীগ্রামের সম্পাদক প্রবীন সাংবাদিক আব্দুস শুকুর বলেন গত কয়েক বছর আগেও এই উপজেলার কৃষকেরা এই লতিরাজ চাষে তেমন আগ্রহ দেখা যায়নি তবে বর্তমানে কৃষকেরা ব্যাপক আগ্রহ দেখাচ্ছেন আর স্থানীয় হাটবাজারে ৫০/৬০ কেজি দরে এই লতি বিক্রি হচ্ছে বলেও তিনি জানান। 

উপজেলার সাগরকান্দি ইউনিয়নের বরুরিয়া  গ্রামের কৃষক আলতাব হোসেন জানান তিনি গত এক বছর ধরে জমিতে লতিরাজ চাষ করছেন আর লাভ বেশি হওয়ায় গত কয়েকদিন আগের ২০ শতক জমিতে লতিরাজ কচুর আবাদ করেছেন বলে জানান তিনি। সুজানগর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ ময়নুল হক সরকার জানান এই উপজেলায় লতিরাজ চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে বিভিন্ন ধরণের পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।

No comments

Powered by Blogger.