ব্রেকিং নিউজ

আতঙ্ক নয় সচেতনতার মাধ্যমেই সম্ভব প্রতিরোধ। করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত কোন জিজ্ঞাসা থাকলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের “স্বাস্থ্য বাতায়ন” এ গ্রামীণফোন গ্রাহকরা ফ্রি কল করুন ১৬২৬৩ নম্বরে। -করোনা ভাইরাসের আপডেট জানতে এখানে ক্লিক করুন-

সুজানগরে লটারির মাধ্যমে প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ শুরু


এম এ আলিম রিপনঃ পাবনার সুজানগর উপজেলা থেকে অতিরিক্ত বরাদ্দকৃত ২৪৩মেট্রিক টন বোরো ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে  উপজেলার সর্বমোট ২৭৬৪জন কৃষি কার্ডধারী কৃষকদের মধ্যে থেকে লটারির মাধ্যমে  প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদের কাছ থেকে সরকারীভাবে শুরু করা হয়েছে  বোরো ধান সংগ্রহ।

৩১ জুলাই (বুধবার ) উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের আয়োজনে স্থানীয় উপজেলা পরিষদ হলরুমে লটারির মাধ্যমে কৃষক নির্ধারণ করে সরকারীভাবে অভ্যন্তরীণ এ ধান সংগ্রহের উদ্বোধন করেন পাবনা-২ আসনের এমপি আহমেদ ফিরোজ কবির। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সুজানগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজিৎ দেবনাথ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান কল্লোল ও মহিলা বাইস চেয়ারম্যান মর্জিনা খাতুন। 

এ সময় খাদ্য পরিদর্শক ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ওয়াহিদ মোস্তফা (মিল্টন), দুলাই ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম শাহজাহান, নাজিরগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান মশিউর রহমান খান, সাতবাড়ীয়া ইউপি চেয়ারম্যান এস এম সামছুল আলম, হাটখালী ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান, রাণীনগর ইউপি চেয়ারম্যান জি এম তৌফিকুল আলম পিযুষ, ভায়না ইউপি চেয়ারম্যান আমিন উদ্দিন, মানিকহাট ইউপি চেয়ারম্যান এ এস এম আমিনুল ইসলাম, তাঁতীবন্দ ইউনিয়ন পরিষদেও প্যানেল চেয়ারম্যান কিয়াম উদ্দিন,উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস ছাত্তার প্রাং, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শ্রী সুবোধ কুমার নটো, সুজানগর প্রেসক্লাবের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) ও মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শাহজাহান আলী মন্ডল, আ’লীগ নেতা আব্দুল কৃদ্দুস খন্দকার, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম সোহাগ সহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। 

খাদ্য পরিদর্শক ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.ওয়াহিদ মোস্তফা (মিল্টন) জানান ২০১৯ সালের ৩১ আগষ্ট পর্যন্ত এই উপজেলার কার্ডধারী কৃষকেরা প্রতি কেজি ২৬ টাকা দরে সরকারের কাছে এ ধান বিক্রয় করতে পারবে। আর প্রতিটি কৃষক সর্বনিম্ন ১২০ কেজি থেকে শুরু করে ৩ মেট্রিক টন পর্যন্ত ধান বিক্রয় করতে পারবে। ধান সংগ্রহের উদ্বোধন শেষে পাবনা-২ আসনের এমপি আহমেদ ফিরোজ কবির এ প্রতিনিধিকে জানান এবারেও যেন এই উপজেলার প্রান্তিক পর্যায়ের প্রকৃত কৃষকদের কাছ থেকে অত্যন্ত সচ্ছতার ভিত্তিতে  এই অতিরিক্ত বরাদ্দকৃত ২৪৩ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করা হয় এ জন্যই লটারির মাধ্যমে কৃষক নির্ধারণ করা হচ্ছে। 

সুজানগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন জানান উপজেলার সর্বমোট ২৭৬৪ জন  কৃষি কার্ডধারী কৃষকদের মধ্যে থেকে  প্রতিটি ইউনিয়নের প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদের কাছ থেকে লটারির মাধ্যমে এই ধান সংগ্রহ করা শুরু হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজিৎ দেবনাথ জানান প্রকৃত কার্ডধারী কৃষকদের কাছ থেকেই এবারে ধান সংগ্রহ করা হবে। আর এই ধান সংগ্রহে কারো বিরুদ্ধে কোন ধরণের অনিয়মের অভিযোগ পেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

No comments

Powered by Blogger.