সুজানগরে গ্রামে গ্রামে স্ব-উদ্যোগে লক ডাউন
এম এ আলিম রিপনঃ সুজানগর উপজেলায় করোনার সংক্রমণ রোধে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত ও জনগণের অপ্রয়োজনীয় চলাচল নিরুৎসাহিত করার জন্য এ উপজেলার প্রবেশদ্বারের সড়ক সহ গ্রাম অঞ্চলের সড়কগুলোতে অস্থায়ী বাঁশের ব্যারিকেড (প্রতিবন্ধক) তৈরি করার মাধ্যমে লক ডাউন শুরু হয়েছে। স্ব-স্ব এলাকাবাসীর সহযোগিতায় স্থানীয় সড়কগুলোতে বাইরের লোকের আগমন বন্ধে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। আর করোনা সংক্রমণ রোধে এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে জনগণ।
সরেজমিন দেখা গেছে, অতীব জরুরী যানবাহন ছাড়া অন্য কোন যানবাহন প্রবেশ বা বের হতে দেওয়া হচ্ছে না। এ ছাড়া উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপে উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে ওষুধ ও কাঁচামাল ছাড়া সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। সড়কে কোন গণপরিবহন চলাচল দেখা যায়নি।
সড়কের প্রবেশ মুখে বাঁশ পুতে, লক ডাউন লেখা সম্বলিত পোষ্টার টানিয়ে দেয়া ও সাবান পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ছাড়াও গ্রামে ঢুকতেই জীবণু নাশক স্প্রে করা হচ্ছে শরীরে। সুজানগর পৌরসভার ভবানীপুর এলাকার মানিক ও রুবেল হাসান নামক দুই যুবক বলেন বাইরের ও অন্য গ্রামের মানুষ যাতে গ্রামে ও পাড়া মহল্লায় প্রবেশ করতে না পারে সে জন্যে আমরা বাঁশ পুতে লক ডাউনের ব্যবস্থা করেছি। নাজিরগঞ্জ ইউনিয়নের কামারহাট গ্রামের মোখলেছুর রহমান বলেন, ব্যারিকেডের এ ব্যবস্থা নেয়ায় এলাকার মানুষ সচেতন হয়েছেন।
উপজেলার মানিকহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম জানান, তার ইউনিয়নের যে সকল গ্রামবাসি করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় স্ব উদ্যোগে এ ধরনের কাজ করেছে তাদের উদ্যোগকে আমি সাধুবাদ জানাই। সুজানগর প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহজাহান আলী জানান সুজানগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সাধারণ মানুষ সচেতন হয়ে করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় যে উদ্যোগ নিয়েছে সেটা প্রশংসনীয়। প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা যাতে অবাধ চলাফেরা করতে পারে সে ব্যবস্থাও তাদের রাখতে হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার(অতিঃদাঃ)আসিফ আনাম সিদ্দিকী বলেন , কিছু মানুষ অতি উৎসাহী হয়ে পথে বের হয়ে আসছে।তাই জনগণের অপ্রয়োজনীয় চলাচলকে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। এবং এর পাশাপাশি তাদের রুখতে কঠোর অবস্থানে থেকে মাঠে প্রশাসনের পাশাপাশি কাজ করে যাচ্ছে যৌথ বাহিনী ।




No comments