ব্রেকিং নিউজ

আতঙ্ক নয় সচেতনতার মাধ্যমেই সম্ভব প্রতিরোধ। করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত কোন জিজ্ঞাসা থাকলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের “স্বাস্থ্য বাতায়ন” এ গ্রামীণফোন গ্রাহকরা ফ্রি কল করুন ১৬২৬৩ নম্বরে। -করোনা ভাইরাসের আপডেট জানতে এখানে ক্লিক করুন-

ডিলারদের কারণে টিসিবি পণ্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সুজানগরের সাধারণ মানুষ


এম এ আলিম রিপনঃ সুজানগর উপজেলার  নির্ধারিত ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) ডিলাররা সরকারের বরাদ্ধ দেওয়া মালামাল উত্তোলন করলেও স্থানীয় বেশিরভাগ সাধারণ মানুষেরাই জানেনা টিসিবি’র পণ্য বিক্রির খবর। আর এতে করে ন্যায্যমূল্যে এ পণ্য কেনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সুজানগরের সাধারণ মানুষ। 

রমজানের আগেই এই উপজেলার সাতবাড়ীয়া বাজারের বকুল ট্রেডার্স ও নাজিরগঞ্জ বাজারের সাহা ট্রেডার্স এর নামে  মোট ২ জন ডিলারই টিসিবি পণ্য উত্তোলন করেন ।সারাদেশে রমজান উপলক্ষে নায্যমূল্যে টিসিবির ৫টি পণ্য ডিলারদের মাধ্যমে বিক্রি শুরু হলেও সুজানগরে তার বিপরীত অবস্থা বিরাজ করছে। এদিকে রবিবার উক্ত দুইটি ডিলারের দোকানে গেলে তাদের দুইজনের দোকানই বন্ধ পাওয়া যায়। 

সুজানগরের স্থানীয় মানুষেরা অভিযোগ করে বলেন প্রচার প্রচারণা না থাকায় এবং দোকানের সামনে লিখিত কোন ব্যানার না থাকায় সাধারণ মানুষ জানেই না যে উক্ত স্থান সমূহে নায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি চলছে। এছাড়া এই পণ্য যাদের পওয়ার কথা তারা পাচ্ছেনা। সামর্থবানরা পাচ্ছেন কম দামের পণ্য। সুজানগর উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে সুজানগর উপজেলায় ২জন ডিলার রয়েছেন। এর মধ্যে মাত্র ২জন ডিলারই বরাদ্ধের পণ্য উত্তোলন করেছেন তবে তারা বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছেন কিনা সে বিষয়ে তাদেরকে এখন পর্যন্ত জানানো হয়নি। 

সুজানগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন জানান সুজানগরে যে টিসিবি’র পণ্য বিক্রি হয় সে বিষয়টি তাকেও জানায়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এ সময় তিনি আরো বলেন টিসিবি’র পণ্য বিক্রির খবর না জানায় সরকারের দেওয়া সহায়তা পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজিৎ দেবনাথ বলেন মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করে  সরকারের দেওয়া এই পণ্য যেন সাধারণ মানুষ পায়  সেই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে শিগগির।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে সারাদেশের মতো সুজানগরের রমজানের শেষ দিন পর্যন্ত টিসিবির তেল, চিনি, খেজুর, ছোলা এবং মসুর ডাল বিক্রির কথা। কিন্তু এ উপজেলায় কার্যক্রমটি সঠিকভাবে হচ্ছেনা। পণ্যগুলো টিসিবির ট্রাক অথবা নিজস্ব বিক্রয় কেন্দ্র থেকে সব ডিলারের বিক্রির কথা। 

গতবারের তুলনায় সাধারণ ভোক্তাদের জন্য কম দরে এ বছর প্রতি কেজি চিনি ৪৭ টাকা, মসুর ডাল ৪৪ টাকা, সয়াবিন তেল ৮৫টাকা, ছোলা ৬০টাকা এবং খেজুর ১৩৫ টাকা করে বিক্রি করছে টিসিবি। একজন ভোক্তা সর্বোচ্চ  ৪ কেজি চিনি, মসুর ডাল ও ছোলা, তেল ৫লিটার  এবং  খেজুর  ১ কেজি করে নিতে পারবেন।

No comments

Powered by Blogger.