ব্রেকিং নিউজ

আতঙ্ক নয় সচেতনতার মাধ্যমেই সম্ভব প্রতিরোধ। করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত কোন জিজ্ঞাসা থাকলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের “স্বাস্থ্য বাতায়ন” এ গ্রামীণফোন গ্রাহকরা ফ্রি কল করুন ১৬২৬৩ নম্বরে। -করোনা ভাইরাসের আপডেট জানতে এখানে ক্লিক করুন-

সুজানগরে কাঁচাবাজার সহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমুল্য বৃদ্ধি


এম এ আলিম রিপনঃ  সুজানগর পৌর হাট বাজার সহ উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে কাঁচাবাজার সহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য লাগামহীন বৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। বুধবার সরেজমিনে সুজানগর পৌর হাটের কাঁচা বাজারে গিয়ে জানা যায়, এক সপ্তাহের ব্যবধানে কাঁচা বাজারে প্রতি কেজিতে বেড়েছে দ্বি-গুন। 

কাঁচাবাজার ব্যবসায়ী আব্দুস শুকুর জানান, বর্তমানে রসুন-১২০টাকা, কাঁচা মরিচ ১৬০টাকা, সুট মরিচ ১২০টাকা, পোটল, বেগুন, পুড়িকচু, ঢেড়স, ঝিংগা প্রতি কেজি ৩৫-৪০ টাকা, করলা ৭০টাকা, কাঁচা পেঁপে ২৫টাকা, আলু ২০টাকা, কাকড়ল ৩০ টাকা, পিঁয়াজ (দেশি) ৪০ টাকা, এলসি ৩৫ টাকা, বড়বট্টি ৪০টাকা, শসা ৫০টাকা, মিষ্টি কুমড়া ২০টাকা কেজি দরে। এবং লাল শাক, পুঁইশাক, কলমিশাক ও লাউশাক প্রতি আটি বিক্রি করেছেন ১৫-২০ টাকায়। যাহা সপ্তাহ খানেক আগেও অনেক কম দামে বিক্রি হয়েছে।

সুজানগরের মুদি ব্যবসায়ী সেলিম হোসেন জানান, ডালের বাজার-মুসুর মোটা ৮০টাকা, ছোট দানা মুসুর ১২০টাকা, বুট ৮০ টাকা, খেসারী ৬০টাকা, মুগ ১২০টাকা, মাশকালাই ১০০টাকা বিক্রি হচ্ছে। কেজিতে বেড়েছে ২৫-৩০টাকা। মসলার বাজার-জিরা প্রতি ৩০ কেজির বস্তার মুল্য বেড়েছে ৭০০ টাকা। জিরা কেজি ৪০০ টাকা, সাদা এলাজ ২৮০০ টাকা, কালো এলাজ ১২০০ টাকা, দারুচিনি ৫০০ টাকা, গুল মরিচ-লবংগো ১০০০ টাকা, ধনীয়া ১২০ টাকা, কালোজিরা ২২০ টাকা, তেঁজপাতা ১০০ টাকা, হলুদ ১৮০ টাকা। তবে পেঁয়াজ ও চাউলের বাজার অপরিবর্তিত রয়েছে।

কাঁচা  সুজানগর পৌর হাটে কাঁচা বাজার করতে আসা মানিক হোসেন নামক এক ব্যক্তি জানান দিন মুজুর হিসাবে সারাদিন কাজ করে যে টাকা উপার্জন করি কাঁচা বাজারে আসলেই বেশিরভাগ টাকা শেষ হয়ে যায়। এদিকে সুজানগরের কাঁচাবাজার ও মসলা বাজারের ব্যবসায়ীদের সাথে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধির কারণ জানতে চাইলে তারা আসন্ন ঈদুল আযহা ও বন্যার অজুহাতে পাইকারী ব্যবসায়ীরা কিছুটা কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে মুল্য বৃদ্ধি করেছে। বাজার মূল্য আরো বাড়তে পারে বলে তারা আশঙ্কা করেছেন।

ঈদকে সামনে রেখে কাঁচাবাজার সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য ক্রেতা সাধারনের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। সেই সাথে নিম্ন-আয়ের মানুষের নাবিশ্বাস দেখা দিয়েছে। অবিলম্বে সরকার নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের উদ্বোগতি ঠেকাতে নিয়মিত মনিটরিং করা প্রয়োজন বলে মনে করেন অভিজ্ঞমহল।

No comments

Powered by Blogger.