আবুল কাশেম নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় হবে সুজানগরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, -শিক্ষাবোর্ড কর্মকর্তা
এম এ আলিম রিপনঃ সুজানগর পৌর সদরে অবস্থিত সুজানগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রয়াত আবুল কাশেম এর নামে প্রতিষ্ঠিত আবুল কাশেম নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি আগামীতে সুজানগর উপজেলার শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয় হিসাবে তাদের নিজেদের স্থান দখল করে নিতে সক্ষম হবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড,রাজশাহীর কর্মকর্তাবৃন্দ।
শনিবার (১ ফেব্রয়ারী) বিদ্যালয়টি পরিদর্শনকালে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড,রাজশাহীর উপ-পরিদর্শক মোঃ মুঞ্জুর রহমান খান ও প্রোগ্রামার মামুন-অর-রশিদ শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার সুষ্ঠ পরিবেশ সহ বিদ্যালয়টির সার্বিক অবস্থা দেখে সন্তুষ্ট প্রকাশ করে এ সময় শিক্ষকদের বিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থীকে একজন সু নাগরিক হিসাবে গড়ে তোলার প্রতিও আহ্বান জানান তারা।
পরিদর্শনকালে আবুল কাশেম নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন, সুজানগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আর এম ও ডাঃ সেলিম মোরশেদ, সুজানগর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমজাদ হোসেন, আবুল কাশেম নি¤œ মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য একিউএম শামসুজ্জোহা বুলবুল, প্রধান শিক্ষক সম্পা খাতুন, অভিভাবকদের মধ্যে সিদ্দিকুর রহমান,বিল্লাল হোসেন, শফিকুল ইসলাম সাচ্চু, শফি ও সুজানগর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম এ আলিম রিপন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মোছাঃ সম্পা খাতুন জানান এ বিদ্যালয় থেকে প্রথমবারের মত মোট ২৬ জন ছাত্র ছাত্রী অংশগ্রহণ করেছিল জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট(জেএসসি) ২০১৯ সালের পরীক্ষায় । তন্মধ্যে সবাই কৃতিত্বের সাথে পাশ করে। এছাড়া এবারে প্রথমবারের মত বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণীর বার্ষিক পরীক্ষায়ও ছাত্রছাত্রীরা শতভাগ পাশ করে।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সুজানগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন তার পিতার নামে প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানটি যেন আগামীতে আরো ভাল রেজাল্ট করে সুজানগর উপজেলার শ্রেষ্ট প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হতে পারে এ জন্য সকলের দোয়া কামনা করেন।
উল্লেখ্য সফল রাজনীতিক মরহুম আবুল কাশেম ২০১৬ সালের পহেলা অক্টোবর পৌরসভার চরসুজানগর গ্রামে তার নিজ বাসভবনে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেন। তিনি জিবীত থাকাকালীন ১৯৬৩ সাল থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এর পর তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সক্রিয়ভাবে আওয়ামী রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হন।
এরপর আওয়ামী রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হওয়ার কিছু দিনের মধ্যে সাংগঠনিক যোগ্যতার কারণে প্রথমে উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক এবং পরবর্তীতে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব প্রাপ্ত হন। এর পর ১৯৭৪ সাল থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত দলের সাধারণ সম্পাদক এবং ২০০৪ সাল থেকে মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত দলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে তিনি দুইবার সুজানগর ইউপি চেয়ারম্যান এবং ২০১৪ সালের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এছাড়া তিনি দীর্ঘদিন সুজানগর পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।








No comments