ব্রেকিং নিউজ

আতঙ্ক নয় সচেতনতার মাধ্যমেই সম্ভব প্রতিরোধ। করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত কোন জিজ্ঞাসা থাকলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের “স্বাস্থ্য বাতায়ন” এ গ্রামীণফোন গ্রাহকরা ফ্রি কল করুন ১৬২৬৩ নম্বরে। -করোনা ভাইরাসের আপডেট জানতে এখানে ক্লিক করুন-

সুজানগরে ছোট ও মাঝারি আকারের পশুর দিকে ঝুঁকছেন ক্রেতারা


এম এ আলিম রিপনঃ সুজানগরে জমে উঠেছে  কোরবানীর পশুহাট। আগামী সোমবার ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে বর্তমানে শেষ সময়ে এসে স্থানীয় হাটগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড় লক্ষ্য করা গেছে।  

সুজানগর পৌর হাট, সহ উপজেলার অন্যান্য হাট এবং পাবনা সদর উপজেলার চরতারাপুর ইউনিয়নের অস্থায়ী পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে, যথেষ্ট পরিমানে দেশী গরু বাজারে রয়েছে। হাটগুলোতে শুধু দেশীয় খামারে পালিত গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়ায় পরিপুর্ণ হয়ে গেছে। তবে এবারে ছোট ও মাঝারি আকারের পশুর দিকে ঝুঁকছেন বেশিরভাগ ক্রেতা। 

সুজানগর পৌরহাট সাপ্তাহিক হাটবার হিসেবে রবিবার ও বুধবার  সকাল থেকে শুরু করে রাত পর্যন্ত ক্রেতা বিক্রেতাদের জমজমাট বেচা-বিক্রি হচ্ছে। ভারতীয় গরু না থাকলেও এবারের এসব হাটে গত বছরের তুলনায় গরু ছাগলের দাম একটু কম তবে মহিষের দাম একটু বেশি। আর সাধ ও সাধ্যের সমন্বয় ঘটিয়ে এবারে পশু কিনছেন ক্রেতারা। তাই বিক্রিতেও রয়েছে প্রতিযোগিতা। এ বছর পশু হাটে ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা বেশী। 

উপজেলার ভায়না গ্রাম থেকে আসা গরু ব্যবসায়ী লতিফ হোসেন বলেন, বাজারে ভারতীয় গরু না থাকায় দেশি গরু বিক্রি বেড়েছে। দেশি গরু বেশী বিক্রি হওয়ায় আমরা খুশি। কোরবানীর পশু কিনতে আসা অনেকেরই অভিযোগ, অন্য বছরের তুলনায় এবছর মহিষের দাম অনেক বেশী। ভারতীয় মহিষ না আসার অজুহাতে দেশি মহিষের আকাশ ছোঁয়া দাম হাকাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। 

পৌরসভার কাঁচারীপাড়া থেকে আসা ক্রেতা আনিছুর রহমান জানান, অসংখ্য পশুর মধ্য থেকে তাদের সাধ ও সাধ্যের মধ্যে পছন্দসই পশুটি কিনতে পেরে মহা খুশি তারা।

সুজানগর পৌর পশুহাট মালিক আব্দুস ছালাম বলেন, অন্য বারের তুলনায় এবার প্রচুর পরিমানে দেশি গরু, ছাগল ও মহিষ ভেড়া আমদানি হয়েছে। বেচা বিক্রিও অনেক বেশী। সুজানগর পৌর পশুহাটটি অনেক পুরাতন একটি হাট। এটি উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পশুহাট হিসেবে পরিচিত। তাছাড়া বাজারের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো থাকায় দুর-দুরান্ত থেকে ক্রেতা-বিক্রেতাগণ আসছে এবং নির্ভয়ে বেচা-কেনা করছেন। আর গ্রামগঞ্জের মানুষ শেষ মুহুর্তে কেনা-কাটা করে থাকে। তাই শেষ মুহুর্তে  আরো বেশী পশু বিক্রি হওয়া এবং বাজার আরো জমজমাট হওয়ার আশা করছেন তিনি।

No comments

Powered by Blogger.