ভ্রমণ কর বা ট্রাভেল ট্যাক্স_Travel Tax
১। ভ্রমণ কর/Travel Tax
বাংলাদেশ থেকে
বিদেশ
ভ্রমণ
করলে
সরকারকে ভ্রমণ
কর
বা
ট্রাভেল ট্যাক্স দিতে
হয়।
২। ভ্রমণ কর কত?
যাত্রার পথের
উপর
নির্ভর
করে
ভ্রমণ
করের
পরিমাণ
ভিন্ন
হয়। স্থলপথে ভ্রমণ
করের
পরিমাণ ৫০০
টাকা । স্থলপথে ভ্রমণকারীরাই সাধারণত ট্রাভেল ট্যাক্স নিয়ে
চিন্তা
করেন।
তবে
বাই
এয়ার
ও
নৌপথে
ভ্রমণ
কর
টিকেটের সাথেই
ইনক্লুড থাকে।
৩। ট্রাভেল ট্যাক্স
কোথায় দিতে
হয়?
ট্রাভেল ট্যাক্স বর্ডারে ভ্রমণ
কর
বুথে
বা
আগে
থেকেই
সোনালি
ব্যাংকের কোন
শাখায়
জমা
দিতে
হয়।
আমার
মতে
বর্ডারে সময়
ও
ঝামেলা
এড়াতে
যাত্রা
শুরুর
আগেই
ভ্রমণ
কর
দিয়ে
দেয়া
উচিৎ।
কারণ
এতে
আপনাকে
বর্ডারে ভ্রমণ
কর
দেয়ার
জন্য
লাইনে
দাড়াতে
হবে
না।
এছাড়া
এক্সট্রা ফিও
লাগে
বর্ডারে। আর
অনেক
বর্ডার
যেমন
ডাউকিতে ভ্রমণ
কর
নেয়ার
কোন
সিস্টেম নেই।
এখানে
আগে
কর
দিয়ে
না
গেলে
ঝামেলা
হয়
আর
শেষ
ব্যবস্থা হিসেবে
১০০-৩০০ টাকা বেশি
দিলে
ওরা
ব্যাবস্থা করে
দেয়।
আর
আপনি
যদি
প্রায়ই
ভ্রমণ
করেন
তাহলে
আপনি
কয়েকটি
ভ্রমণ
কর
আগে
থেকেই
দিয়ে
রশিদ
নিয়ে
রাখতে
পারেন।
কারণ
ভ্রমণ
করে
কোন
তারিখ
বা
মেয়াদ
উল্লেখ
থাকে
না। যদি
সুযোগ
থাকে
তাহলে
আগে
থেকে
দিয়ে
গেলে
ভাল।
তবে
আপনি
যদি
বর্ডারে দালাল
দিয়ে
ইমিগ্রেশন করাতে
চান
তাহলে
আগে
থেকে
না
দিয়ে
গেলেও
সমস্যা
নেই।
ওরা
ম্যানেজ করে
দেয়।
এখানে
উপরের
ছবির
মত
ট্রাভেল ট্যাক্সের জন্য
স্পেশাল রশিদে
বা
চালানে
ভ্রমণ
কর
জমা
নেয়।
অবশ্যই
সাথে
করে পাসপোর্ট নিয়ে যাবেন।
আর
অন্য
কারোটা
আপনি
দিলে
বা
অন্য
কাউকে
দিয়ে
নিজেরটা দিলে
অবশ্যই
মেইন
পাসপোর্ট বা
এর
ফটোকপি/স্ক্যানকপি নিয়ে যাবেন।
৩.২ ভ্রমন
ট্যাক্স কোড
এছাড়া
আপনি
চালানের মাধ্যমেও সোনালি
ব্যাংকের কিছু
শাখায়
ট্রাভেল ট্যাক্স জমা
দিতে
পারবেন। তবে
আগে
ব্যাংকে গিয়ে
জেনে
নিন
যে
তারা
চালানের মাধ্যমে ভ্রমণ
কর
নেয়
কিনা।
চালানের মাধ্যমে জমা
দিতে
হলে
আপনার
দরকার
হবে
ভ্রমণ
কর
চালান
কোড।
সোনালী
ব্যংকের শাঁখাগুলো অনেকগুলো জোনে
বিভক্ত। এই
একেক
জোনের
শাখাগুলোর জন্য
একেক
রকম
কোড।
ব্যাংক
থেকে
জেনে
নিন
কোন
কোড
ব্যবহার করতে
হবে।
জমা
দেয়ার
আগে
ব্যাংকের লোকদের
সাথে
কথা
বলে
নিন
যে
আপনি
কোন
কোডটি
ব্যবহার করবেন।
সোনালী ব্যংক বিভিন্ন জোনের Travel Tax Chalan Code
ঢাকা জোনঃ ১-১১৪১-০০০১-০৯১১
রাজশাহী জোনঃ ১-১১৪১-০০৬০-০৯১১
রংপুর জোনঃ ১-১১৪১-০০৬৫-০৯১১
সিলেট জোনঃ ১-১১৪১-০০৭০-০৯১১
কুমিল্লা জোনঃ ১-১১৪১-০১৩০-০৯১১
খুলনা জোনঃ ১-১১৪১-০০৫৫-০৯১১
বরিশাল জোনঃ ১-১১৪১-০০৭৫-০৯১১
ময়মনসিংহ জোনঃ ১-১১৪১-০১২৫-০৯১১
বগুড়া জোনঃ ১-১১৪১-০১৪০-০৯১১
আর
চালানের মাধ্যমে দিলে
অবশ্যই
চালানে
আপনার
পাসপোর্ট নাম্বার, নাম,
ঠিকানা,
ইত্যাদি বড়
হাতের
ইংরেজি
অক্ষরে
লিখবেন। আমি
নিচে
একটি
স্যাম্পল দিয়ে
দিচ্ছি।
৪। সচরাচর জিজ্ঞাসিত
প্রশ্ন ও উত্তর
আমি যতবার ইন্ডিয়া যাব ততবারই কি আমাকে ট্রাভেল ট্যাক্স দিতে হবে?
হ্যা।
আপনি
যতবার
বাই
রোডে
ইন্ডিয়া যাবেন
ততবারই
আপনাকে
ভ্রমণ
কর
দিতে
হবে।
ট্রাভেল ট্যাক্স এর মেয়াদ কতদিন?
ট্রাভেল ট্যাক্সের মেয়াদ
দেয়া
থাকে
না।
সে
হিসেবে
বলা
যায়
সরকার
নতুন
করে
ভ্রমণ
করের
পরিমাণ
সংশোধন
না
করলে
এইটা
ভ্যালিড থাকবে।
চালানের
মাধ্যমে ট্রাভেল
ট্যাক্স জমা
দিলে চালানের
কপি ছাড়া
আর কিছু
দেয়? যেমন
“জাতীয় রাজস্ব
বোর্ডের যাত্রী
কপি”? আজ
সাভার ক্যান্টনমেন্ট
সোনালী ব্যাংক
শাখায় জমা
দেয়ার পর
চালানের তিনটা
কপির একটা
ফেরত দিয়েছে।
Immigration এ চালানের
এই কপিটা
জমা দিলেই
হবে?
না আর কিছু দেয় না। তবে আপনাকে এক কপি ফেরত দিবে। এটা ইমিগ্রেশনের কাছে দিতে হবে। এক কপি ফটোকপি করে রাখা ভাল। যদিও পরে আর লাগে না।
চালান ফরম ডাউনলোড করুন
চালান ফরম ডাউনলোড করুন




No comments